চামড়ার মূল্য না থাকায় কওমি মাদরাসাগুলো বঞ্চিত হচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশচর

সব সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে চামড়া শিল্পকে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে রফতানি আয় কমে গিয়ে ৭৯৭ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। রফতানি আয়ের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থান হারিয়ে চামড়া খাত তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে।’ এ অবস্থা থেকে চামড়া শিল্পকে রক্ষায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। আজ শনিবার এক বিবৃতিতে মহাসচিব বলেন, ১৯৫১ সালের অক্টোবরে তৎকালীন সরকার ঘোষিত গেজেটের মাধ্যমে ঢাকার হাজারীবাগে ট্যানারি শিল্প স্থাপিত হয়। তখন থেকে আজ পর্যন্ত চামড়া শিল্প খাত ব্যাপক সফলতার সঙ্গে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে। এ খাত রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে আসছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ বছর পর চামড়া শিল্প আজ ধ্বংস প্রায়। এতে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশ, তেমনি পাট শিল্প ধ্বংসের পর এবার চামড়া শিল্প ধ্বংস হয়ে গরিবরা তাদের হক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং দ্বীনি মাদরাসা বিশেষ করে কওমি মাদরাসাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এমতাবস্থায় চামড়া শিল্পকে রক্ষায় সরকারকে কার্যকরি উদ্যোগ নিতে হবে। সরকার যেভাবে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছে সেভাবেও চামড়া কিনছে ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছি।