লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে পেনাল্টি শুট-আউটে ইংল্যান্ডকে ২-৩ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় বারের মত ইউরো কাপের শিরোপা জিতেছে ইতালি। এর আগে ১৯৬৮ সালে ইউরো কাপ জিতে ইতালি।

নির্ধারিত সময় ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র ছিল। ২ মিনিটে ইংল্যান্ডের লুক শ’ এবং ৬৭ মিনিটে ইতালির লিওনার্দো বোনুচ্চি গোল করেন।

টাইব্রেকারে ইতালি দ্বিতীয় ও পঞ্চম শট মিস করে এবং স্বাগতিক ইংল্যান্ড মিস করে শেষ তিনটি শট। এ নিয়ে টানা ৩৪ ম্যাচে অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়ল ইতালি।

টাইব্রেকারে ইতালির পক্ষে গোল করেন বেরারদি, গোল করেন ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন, কিন্তু বেলোত্তির শট ঠেকিয়ে দেন পিকফোর্ড, তবে ইংল্যান্ডের হ্যারি মাগুইর শট ঠেকাতে পারেননি দেন্নারুমা। ফলে স্কোরলাইন হয় ১-২। এরপর গোল করেন ইতালির বোনুচ্চি কিন্তু  ইংল্যান্ডের রাশফোর্ডের শট পোস্টে প্রতিহত হয়। স্কোর ফের সমতায় ২-২।

এবার গোল করেন ইতালির বার্নারদেসচি। কিন্ত ইংল্যান্ডের স্যাঞ্চোর শট বাঁচিয়ে দেন দোন্নারুমা।

জোরগিনহোর শট বাঁচিয়ে দেন পিকফোর্ড। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। ইংল্যান্ডের সাকার শটও বাঁচিয়ে দেন দোন্নারুমা। ফলে ৩-২ স্কোরলাইনে জয় পায় ইতালি।

ইউরোর ফাইনালে ওঠার পথে সেমিফাইনালে আজ্জুরিরা টাইব্রেকারে হারায় স্পেনকে। ইংলিশরা হারায় ডেনমার্ককে। ফাইনালেও ইতালি জয় পায় টাইব্রেকারে।