আফগানিস্তানে আর সেনা পাঠাচ্ছে না তুরস্ক

ন্যাটো বাহিনীর অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে বর্তমানে যেসব তুর্কি সেনা মোতায়েন রয়েছে তার বাইরে দেশটিতে নতুন করে আর কোনও সেনা পাঠাবে না তুরস্ক।

বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডেইলি সাবাহ।

হুলুসি আকার বলেন, মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী আফগানিস্তান ত্যাগের পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তুরস্কের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এজন্য দেশটিতে বাড়তি কোনও সেনা মোতায়েন করা হবে না।

তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, গত ছয় বছর ধরে তুর্কি সেনারা ন্যাটোর অধীনে আফগান বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেছে।

১১ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তান থেকে মার্কিন ও ন্যাটো সেনারা পুরোপুরি চলে যাওয়ার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় তুরস্ক।

তবে এক বিবৃতিতে তালেবান তুরস্কের প্রস্তাবের বিষয়ে অসম্মতি জানিয়েছে। তালেবান বলেছে, মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনী প্রত্যাহারের পর আফগানিস্তানে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার ‘কোনও আশা’ রাখা উচিত নয়। দূতাবাস ও বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আফগানদেরই দায়িত্ব।

তালেবানের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানের প্রতি ইঞ্চি ভূখণ্ড, এর বিমানবন্দর, বিদেশি দূতাবাস এবং কূটনৈতিক অফিসগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আফগানদের দায়িত্ব। ফলে আমাদের দেশে সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখার আশা কারও পোষণ করা উচিত নয়। যদি কেউ এ জাতীয় ভুল করে থাকে তবে আফগান জনগণ এবং ইসলামি আমিরাত তাদের দখলদার হিসেবে বিবেচনা করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।

এর মধ্যেই বুধবার আফগানিস্তানে বিদ্যমান সামরিক উপস্থিতির বাইরে নতুন করে সেনা না পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক।