শ্রেণিকক্ষেই শিশু মীমকে হত্যা করে মাদ্রাসার দপ্তরি-ঝাড়ুদার

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা গ্রামে মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকি থেকে লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামি হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

তারা আদালতে জানায়, পূর্ববিরোধের জের ধরে মাদ্রাসার একটি কক্ষে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়।

রোববার দুপুরে কুমিল্লা জ্যেষ্ঠ আমলি-২ আদালতের বিচারক ফারহানা সুলতানার আদালতে আসামিদের হাজির করলে হত্যার ঘটনা বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। পরে তাদের কুমিল্লা জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন বিচারক।

এর আগে গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা শাহ ইসরাফিল কামিল মাদ্রাসার সেপটিক ট্যাংকি থেকে শিশু মীমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসার দপ্তরি একই এলাকার আবদুল মবিনের ছেলে মো. কাইয়ূম (১৬) ও পার্শ্ববর্তী উচ্চ বিদ্যায়ের ঝাড়ুদার ময়নাল হোসেনকে (৩২) আটক করে।