হেফাজত থেকে ফরায়েজি আন্দোলনের আমীরের পদত্যাগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকার সহ রাম-বামদের থেকে মোটা অংকের টাকা আর সুযোগ সুবিধার পাবার লোভে পড়ে দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ থেকে পদত্যাগ করেছে ফরায়েজী আন্দোলনের হাসান মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

দেশ ও জাতীর এই ক্লান্তিলগ্নে ঐক্যবদ্ধ না থেকে এই মুহুর্তে পদত্যাগ করে সে নিজেকে সরকার ও বামদের দালাল হিসেবে প্রকাশ করলো। সে তার প্রকৃত মুখোশ উন্মোচন করলো। তার পদত্যাগ প্রমাণ করে সে ঐক্য চায়না বরং ফাটল চায়৷ তার পদত্যাগের কারণে হেফাজতে ইসলামের কোন ক্ষতি হবে না। কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না। হেফাজতে ইসলাম আগের মতই নিজস্ব ঐতিহ্য ও সাফল্যের সাথে দেশ বিদেশের কোটি কোটি তৌহিদি জনতার হৃদয়ে থাকবে।

পদত্যাগের সময় হাসান মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ যে সকল অভিযোগ করেছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যে, অবাস্তব ও ভিত্তিহিন। তার অভিযোগের কোন ভিত্তি-ই নেই। তার অভিযোগ সমূহ একটি চিহ্নিত মহলের শেখানো বুলি। হেফাজতে ইসলামের বর্তমান আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর যোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব সকলে ঐক্যবদ্ধ । বর্তমানে হেফাজতে ইসলাম অতীতের তুলনায় গোছালো, সুশৃঙ্খল ও সুসংগঠিত। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে সকলের সাথে পরামর্শ করে,সকলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে হেফাজতের সকল কর্মসূচি ও কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। এতে একক কোন ব্যক্তি বা দলের কোন দলের দখল থাকে না।

হেফাজতের কর্মসূচীতে কোন দল বা পার্টির এজেন্ডা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য থাকেনা। হেফাজতে ইসলাম কোন দল বা পার্টির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে না। হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়নেই হেফাজতে ইসলাম কাজ করে যাচ্ছে।

ডাহামিথ্যে অভিযোগ উত্থাপন করে হেফাজত থেকে তার পদত্যাগের নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। উম্মাহর এই ক্লান্তিকালে তার পদত্যাগে তার দালালি চেহারা প্রকাশ পেয়েছে। জাতীর সংকটকালে যারা ঐক্য থেকে বেড়িয়ে যায় তাদেরকে সর্বমহলে বয়কট করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।