ক্বওমী সনদের ব্যাপারে শিক্ষা উপমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে; ফজলে বারী মাসউদ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেছেন- সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে করোনার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের পর শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান নওফেল ক্বওমী সনদের স্বীকৃতি পূনর্বিবেচনার ব্যাপারে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা চরম ধৃষ্টতাপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক অভিব্যক্তির বহি:প্রকাশ। সরকারের একজন দায়িত্বশীল পর্যায়ের ব্যক্তির এজাতীয় কথাবার্তা অবশ্যই পরিত্যাজ্য। সনদের ব্যাপারে শিক্ষা উপমন্ত্রীর বক্তব্য অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে।

আজ ১০ এপ্রিল ২০২১ ইং রোজ শনিবার সংগঠনটির ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার মজলিসে আমেলার জরুরী বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

 

অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন; ক্বওমী সনদের স্বীকৃতি অনেক ত্যাগ ও তিতিক্ষার ফসল। ক্বওমী সনদ কোনও ব্যক্তি বা দলের দয়া/করুণা নয়। দেশপ্রেম ও মানবিকতায় ক্বওমীর অবদান অনস্বীকার্য।

ভারতবর্ষে উলামায়ে দেওবন্দের বুদ্ধিভিত্তিক লড়াই, ধারাবাহিক ত্যাগ ও সহযোগীতায় আজ উপমহাদেশ মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে। দেওবন্দের মাসলাকে প্রতিষ্ঠিত ক্বওমী মাদরাসা।

 

ক্বওমী মাদরাসা ও ক্বওমীর সনদের ব্যাপারে মন্তব্য করতে হলে আগে উলামায়ে দেওবন্দের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করুন।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন; দীর্ঘ সময় পাওয়ার পরেও সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করায় আজ দেশে করোনা ভয়াবহ মহামারির রুপ ধারন করছে।

করোনার মাঝেও সরকারী বরাদ্দ যেন দূর্নীতিবাজ জনপ্রতিনিধিদের জন্য ঈদ আনন্দ। দয়া করে লকডাউনের সাথে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা, রুটি-রুজি, জীবিকা, শিক্ষা প্রাপ্তি নিশ্চিত করে পরিকল্পনা হাতে নিন। অন্যথায় দেশের জনগণের আপনাদের সকল নির্দেশনাকে উপেক্ষা করেই চলবে।

নগর সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেন, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক প্রভাষক ডাক্তার মুজিবুর রহমান, দফতর সম্পাদক মুফতী নিজাম উদ্দিন, ছাত্র ও যুব সম্পাদক এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার প্রমুখ।