মাওলানা মামুনুল ও তার স্ত্রীকে হেনস্তার ঘটনা জাহেলিয়াতকেও হার মানিয়েছে : হেফাজত মহাসচিব

ইসলামী জার্নাল : আজ (৪ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও-এ হেফাজতের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও তার স্ত্রীকে যেভাবে সন্ত্রাসীরা হেনস্তা করেছে, তা জাহেলিয়াতের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।

এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও তার স্ত্রীকে হেনস্থা করার এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনটির মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম।

দেশের একজন প্রসিদ্ধ আলেম ও শাইখুল হাদীস এবং তার বিবাহিতা স্ত্রীকে নিয়ে যে ধরণের নোংরামি করেছে সন্ত্রাসীরা, তা দেশবাসীকে স্তব্দ করে দিয়েছে।

 

মাওলানা মামুনুল হক অপরচিত অখ্যাত কেউ নন। তিনি শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ.-এর সাহেবজাদা।

প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি বোখারীর দরস দিচ্ছেন। দেশ-বিদেশে তার অসংখ্য ছাত্র রয়েছে।

এছাড়াও তিনি হেফাজতে ইসলামসহ রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বশীল।

এমন একজন সম্মানিত আলেমকে যেভাবে অপদস্ত করা হয়েছে, তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।

আল্লামা নুরুল ইসলাম বলেন, কাওকে অপবাদ দেওয়া বড় গুনাহের কাজ। আর একজন আলেমকে অপবাদ দেওয়া তো অমার্জনীয় অপরাধ। কারণ আলেম-উলামারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওয়ারিস।

প্রশাসনকে অবিলম্বে দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এমন মানহানিকর ঘটনা যেনো পুনরায় কেউ ঘটাতে না পারে, তার জন্য অপরাধীদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন হেফাজত মহাসচিব। তিনি বলেন, মাওলানা মামুনুল হক সম্পূর্ণ নিয়ম মেনে তার স্ত্রীকে নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

এরপরেও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ কি করে সন্ত্রাসীদের মাওলানা মামুনুল হকের রুমে প্রবেশ করতে দিলেন। তাই রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কি ছিলো, তাও তদন্ত করে বের করার দাবি জানাচ্ছি।