শহিদ মিনারের বেদিতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জাতি বিব্রত: ইসলামী ঐক্যজোট

ইসলামী ঐক্যজোট নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সম্প্রতি শহিদ মিনারের বেদিতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গোটা জাতি বিব্রত, বিমর্ষ ও আতংকিত।

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী ঐক্যজোট নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন।

তারা আরো বলেন, প্রচলিত আইন ও বিচার দিয়ে দেশে ধর্ষণ ঠেকানো যাবে না। শহিদ মিনারে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনাসহ দেশে বিভিন্ন ধর্ষণের ঘটনায় দ্রুত দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

দেশজুড়ে এমন অমানবিক ধর্ষণের ঘটনায়
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অশ্লীলতা, বেহায়াপনা, নগ্নতা, অশ্লীল সিনেমা ও বিজাতীয় অপসংস্কৃতি থেকে জন্ম নেয়া বীজ এখন লালসার বটগাছে পরিণত হচ্ছে।

এর শেকড় ছড়িয়ে পড়ছে বখাটে যুবকদের শিরা উপ-শিরায়। যুবকরা তাদের সেই কলুষিত চিন্তাকে বাস্তবায়নে ধর্ষণ-হত্যায় মেতে উঠছে। এসব বন্ধ করে মা-বোনদের নিরাপত্তা বিধান করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিবৃতিদাতাগণ হলেন-ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী, মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুর রশিদ মজুমদার, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা এহতেশাম সারোয়ার, যুগ্ম মহাসচিব মুফতী তৈয়্যব হোসাইন,

মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা শেখ লোকমান হোসাইন, মুফতী আব্দুল কাইয়্যুম, মাওলানা জুনায়েদ গুলজার, মাওলানা আলতাফ হোসাইন, ভারপ্রাপ্ত প্রচার সচিব মাওলানা আনসারুল হক ইমরান প্রমুখ।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আজ নৈতিক বিপর্যয়ের কারণে অনৈতিকতার রোগ চেপেছে যুবকদের ঘাড়ে।

অনৈতিকতার সয়লাব তাদেরকে সত্য ও সুন্দরকে মেনে নিতে অমনোযোগী করছে।

আল্লাহর বিরুদ্ধে, দ্বীনের বিরুদ্ধে তাদেরকে যুদ্ধাংদেহী করছে।

উদ্ধত, মদ্যপান, উলঙ্গতা, পর্নোগ্রাফীসহ অসংখ্য পাপ কর্মে জড়িয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করছে।

তারা পাপের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে বিবেচনা করছে। এমন নৈতিক বিপর্যয়ের মোকাবেলায় মানব জাতিকে উদ্ধারে একমাত্র ইসলামই সফলতা দেখিয়েছে।

একটি জনপদে নয়, অসংখ্য জনপদে। ইসলামের সে সামর্থ এখনও অম্লান, অটুট।

তাই আমরা মনে করি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সুস্থতা বিধানে, বিপর্যস্ত পরিবারকে বাঁচাতে ইসলামই একমাত্র অপরিহার্য পথ।

তারা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আসুন, আমরা ভোগবাদীদের কুসংস্কার এবং বিনাশী বিপর্যয় থেকে উদ্ধারের একমাত্র পথ ইসলামের পূর্ণ অনুসরণ করি, ইসলামী আইন বাস্তবায়ন করি।

একই সঙ্গে বিজাতীয় মূল্যবোধ, কথিত অনৈতিক চেতনা ও অপসংস্কৃতি বর্জন করি। তাহলেই হত্যা, ধর্ষণ ও অপরাধমুক্ত দেশ গড়া সম্ভব হবে।