ঢাবিতে ‘হিজাব দিবস’ পালন নিয়ে ছাত্রলীগ-ইশা আন্দলনের উপর ছাএলিগের হামলা

 

‘হিজাব দিবসের’ ব্যানার টানানো নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগ ও ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের (ইশা) নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ইশার কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ইশার নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় রাজুর ভাস্কর্যের সামনে এ ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় ছাত্র সংগঠন দুটি একে অপরকে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।

ইশার অভিযোগ, রাজুর ভাস্কর্যে সকালে হিজাব দিবসের টানানো ব্যানার দুপুর তিনটার দিকে ছিঁড়ে ফেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সার্জেন্ট জুহুরুল হক হল ছাত্রলীগ নেতা কামাল। এতে ইশার সভাপতি মাহমুদুল হাসানসহ ইশার চারজন সমর্থক কামালকে বাঁধা দিতে গেলে কামালের সাথে ১০/১৫ জনের একটি দল তাঁদের আক্রমণ করে। এসময় ইশা সভাপতি মাহমুদুল হাসানসহ আরও একজন আহত হন বলে অভিযোগ তাদের। এসময় ছাত্রলীগ কর্মীরা দুটি মুঠোফোন কেড়ে নেয় বলে তারা জানান।
এ বিষয়ে ইশার সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল হাসান মারজান বলেন, আমাদের হিজাব দিবসের ব্যানার জুহুরুল হক হল ছাত্রলীগ নেতা কামাল ছিঁড়ে ফেলেন। প্রতিবাদ করতে গেলে কামাল তার দলবল নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন। তিনি জানান, ক্যাম্পাসে নাকি ইসলামী ব্যানার রাখা যাবে না। তিনি আমাদের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেছেন।
এদিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দাবি, তারা ব্যানার ছিঁড়েননি। তাদের গায়ে হাত দিয়েছে ইশার নেতাকর্মীরা। উদ্যান থেকে রাজুর ভাস্কর্য দিয়ে কামাল আসার সময় তার পথ রোধ করেন ইশার নেতাকর্মীরা। তখন ব্যানার ছেঁড়া-না ছেঁড়া নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে তাদের তর্কাতর্কি দেখে টিএসসি থেকে কিছু ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ছুটে যান। সেখান থেকে তারা কামালকে উদ্ধার করে নিয়ে যান। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিমও এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে কামাল জানান, তারা ইশাকে মারধর করেননি এবং কারও কোনো মোবাইল ফোনও নেননি।
তিনি বলেন, আমি উদ্যান থেকে আসতেছিলাম। তারা আমাকে অযথা হয়রানি করছিলো। তখন, এটা দেখে কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী আমাকে উদ্ধার করতে আসেন। এ সময় ইশার নেতাকর্মীরা আমার শার্টের কলার ধরে। পরে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা আমাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যান।
এদিকে, প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা কাউকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়নি বলে তারা জানিয়েছে। এ বিষয়ে প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য রুবেল চন্দ্র বলেন, আমরা কাউকে ছাড়াইনি। আমরা যাওয়ার আগেই সবাই চলে গেছেন।