মাওলানা তারিক জামিল করোনা মুক্ত হলেন

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা জানান। করোনাকালীন যারা দোয়া করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

ছয়দিন আগে করোনায় আক্রান্ত হন জ্যেষ্ঠ এ ইসলামি স্কলার। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন।

টুইট বার্তায় অনুসারী এবং শুভাকাঙ্ক্ষিদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়েছি। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আপনাদের দোয়ার প্রয়োজন। আল্লাহ তার রহমত দ্বারা মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে সমগ্র মানবজাতিকে মুক্ত করুন।

১৩ ডিসেম্বর  করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ওই সময় টুইট বার্তায় করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে তিনি বলেন, গেল কয়েকদিন ধরে ভালোবোধ করছি না। করোনা পরীক্ষা করিয়েছি। পজেটিভ এসেছে।

এ খবরের প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন, ধর্মীয় এ পণ্ডিতের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন তিনি। টুইটে বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে মাওলানা তারিক জামিলের দ্রুত এবং পূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া করছি।

তারিক জামিল ১ অক্টোবর ১৯৫৩ সালে পাকিস্তানের মিয়া চান্নুতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাহু উপজাতির অন্তর্ভুক্ত। শেরশাহ সুরির রাজত্বকালে তুলাম্বার শাসক ছিল তার পরিবার।

লাহোরের সেন্ট্রাল মডেল কলেজ থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। লাহোর গভর্নমেন্ট কলেজের পড়া শেষ করে এডওয়ার্ড মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন তিনি। ধর্মীয় শিক্ষা অর্জনের প্রবল ইচ্ছায় এমবিবিএস শেষ করার আগেই তিনি এডওয়ার্ড কলেজ ত্যাগ করেন।

জামিয়া আরাবিয়া রায়উইন্ড থেকে তিনি ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। সেখানে কুরআন, হাদিস, সুফিবাদ, ‍যুক্তবিদ্যা এবং ইসলামি আইন বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন তিনি।

তারিক জামিল বিশ্বজুড়ে ধর্ম প্রচার করছেন। তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশের বিখ্যাত ধর্মশিক্ষা কেন্দ্র দারুল উলুম দেওবন্দের অনুসারী। জাতিগত এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী তিনি।

মাওলানা তারিক জামিলের আলোচনায় আত্মশুদ্ধি, সংঘাত পরিহার, আল্লাহর নির্দেশ মান্য করে মহানবীর (স.) পথ অনুসরণের মতো বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

জর্ডানের রয়েল আল-আল বায়েত ইনস্টিটিউট ফর ইসলামিক থটের জরিপে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলমানের তালিকায় তারিক জামিলের নাম উঠে আসে।

গায়ক জুনায়েদ জামশেদ, ক্রিকেটার ইনজামাম উল হক, ক্রিকেটার সাইদ আনোয়ার, অভিনেত্রী, উপস্থাপিক ভিনা মালিক এবং অভিনেতা আমির খান তারিক জামিলের আদর্শে প্রভাবিত হয়েছেন।

২০২০ সালে সাহিত্যে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি পদক প্রাইড অব পারফরমেন্সে ভূষিত হন তিনি।

২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি বলেন, মানুষের অসততা এবং নারীদের নীতিহীনতার কারণে আল্লাহ ক্ষুব্ধ হয়ে করোনা ভাইরাস মহামারি পৃথিবীতে দিয়েছেন। পাশাপাশি দেশের দুর্দশা এবং সংকট নিরসনের জন্য দোয়া করে তিনি বলেছিলেন, যখন কোনো মুসলমানের কন্যা অশ্লীল আচরণ করে এবং তরুণেরা অনৈতিকতায় লিপ্ত হয়, তখন ওই জাতির জন্য আল্লাহর আজাব নেমে আসে।

তার এ বক্তব্যের নিন্দা জানায় মানবাধিকার সংগঠনসহ পাকিস্তান সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। দেশটির মানবাধিকারমন্ত্রী শিরেন মাজারি তারিক জামিলের বক্তব্যকে চূড়ান্ত নারীবিদ্বেষী এবং অজ্ঞতা বলে আখ্যা দেন। বলেন, করোনা সংকটের জন্য নারী এবং তরুণদের দায়ী করা সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।

মাওলানা তারিক জামিল করোনা মুক্ত হলেন

শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা জানান। করোনাকালীন যারা দোয়া করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি।

ছয়দিন আগে করোনায় আক্রান্ত হন জ্যেষ্ঠ এ ইসলামি স্কলার। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন।

টুইট বার্তায় অনুসারী এবং শুভাকাঙ্ক্ষিদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তি পেয়েছি। সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আপনাদের দোয়ার প্রয়োজন। আল্লাহ তার রহমত দ্বারা মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে সমগ্র মানবজাতিকে মুক্ত করুন।

১৩ ডিসেম্বর মাওলানা তারিক জামিল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন। ওই সময় টুইট বার্তায় করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়ে তিনি বলেন, গেল কয়েকদিন ধরে ভালোবোধ করছি না। করোনা পরীক্ষা করিয়েছি। পজেটিভ এসেছে।

এ খবরের প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বলেছিলেন, ধর্মীয় এ পণ্ডিতের দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করছেন তিনি। টুইটে বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে মাওলানা তারিক জামিলের দ্রুত এবং পূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া করছি।

তারিক জামিল ১ অক্টোবর ১৯৫৩ সালে পাকিস্তানের মিয়া চান্নুতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাহু উপজাতির অন্তর্ভুক্ত। শেরশাহ সুরির রাজত্বকালে তুলাম্বার শাসক ছিল তার পরিবার।

লাহোরের সেন্ট্রাল মডেল কলেজ থেকে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। লাহোর গভর্নমেন্ট কলেজের পড়া শেষ করে এডওয়ার্ড মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন তিনি। ধর্মীয় শিক্ষা অর্জনের প্রবল ইচ্ছায় এমবিবিএস শেষ করার আগেই তিনি এডওয়ার্ড কলেজ ত্যাগ করেন।

জামিয়া আরাবিয়া রায়উইন্ড থেকে তিনি ধর্মীয় শিক্ষা লাভ করেন। সেখানে কুরআন, হাদিস, সুফিবাদ, ‍যুক্তবিদ্যা এবং ইসলামি আইন বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন তিনি।

তারিক জামিল বিশ্বজুড়ে ধর্ম প্রচার করছেন। তিনি ভারতের উত্তর প্রদেশের বিখ্যাত ধর্মশিক্ষা কেন্দ্র দারুল উলুম দেওবন্দের অনুসারী। জাতিগত এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী তিনি।

মাওলানা তারিক জামিলের আলোচনায় আত্মশুদ্ধি, সংঘাত পরিহার, আল্লাহর নির্দেশ মান্য করে মহানবীর (স.) পথ অনুসরণের মতো বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

জর্ডানের রয়েল আল-আল বায়েত ইনস্টিটিউট ফর ইসলামিক থটের জরিপে ২০১৩ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলমানের তালিকায় তারিক জামিলের নাম উঠে আসে।

গায়ক জুনায়েদ জামশেদ, ক্রিকেটার ইনজামাম উল হক, ক্রিকেটার সাইদ আনোয়ার, অভিনেত্রী, উপস্থাপিক ভিনা মালিক এবং অভিনেতা আমির খান তারিক জামিলের আদর্শে প্রভাবিত হয়েছেন।

২০২০ সালে সাহিত্যে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি পদক প্রাইড অব পারফরমেন্সে ভূষিত হন তিনি।

২০২০ সালের এপ্রিলে তিনি বলেন, মানুষের অসততা এবং নারীদের নীতিহীনতার কারণে আল্লাহ ক্ষুব্ধ হয়ে করোনা ভাইরাস মহামারি পৃথিবীতে দিয়েছেন। পাশাপাশি দেশের দুর্দশা এবং সংকট নিরসনের জন্য দোয়া করে তিনি বলেছিলেন, যখন কোনো মুসলমানের কন্যা অশ্লীল আচরণ করে এবং তরুণেরা অনৈতিকতায় লিপ্ত হয়, তখন ওই জাতির জন্য আল্লাহর আজাব নেমে আসে।

তার এ বক্তব্যের নিন্দা জানায় মানবাধিকার সংগঠনসহ পাকিস্তান সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। দেশটির মানবাধিকারমন্ত্রী শিরেন মাজারি তারিক জামিলের বক্তব্যকে চূড়ান্ত নারীবিদ্বেষী এবং অজ্ঞতা বলে আখ্যা দেন। বলেন, করোনা সংকটের জন্য নারী এবং তরুণদের দায়ী করা সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য।