জুমাবারের মিছিল ও  গ্রেফতার বিষয়ে দুটি কথা

গত ২৭ শে নভেম্বরের মিছিলটি ছিল সম্পূর্ণ স্বতস্ফূর্ত । বাদ জুমা মিছিল হলেও আমি খবর পাই বিকাল ৩টার দিকে । পরে যতটুকু খোঁজ-খবর পেয়েছি, তাতে বুঝতে পারলাম, আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার ইস্যুতে শীর্ষ ওলামায়ে কেরামের উলেখযোগ্য কোনো তৎপরতা চোখে না পড়ায় তরুণ ও ছাত্ররা ফেইসবুকে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিক্ষোভের কর্মসূচী গ্রহন করেছে ।আবেগী তরুণদের এই নেতৃত্বহীন বিক্ষোভ শেষ পর্যন্ত পুলিশী এ্যাকশনের মুখে পড়ে । লাঠিচার্জের পর বেশ কিছু মিছিলকারীকে আটক করে পুলিশ । বিষয়টি অবহিত হওয়ার পর মুহুর্তকাল বিলম্ব না করে আমাদের দায়িত্বশীলগণ তাদের সার্বিক ।তায় এগিয়ে যায় ।এক দিকে প্রশাসনের মাধ্যমে মুক্ত করার চেষ্টা করে । অপর দিকে তাদের প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ থেকে শুরু করে আইনী প্রক্রিয়া পরিচালনার যাবতীয় ব্যবস্থা করে ।
আমাদের সাথে কোনো রকম যোগাযোগ এমন কি আকারে ইঙ্গীতেও কিছু না জানিয়ে তারা এই কর্মসূচী পালন করে । এত বড় একটি বিক্ষোভ মিছিল কোনো দায়িত্বশীল ছাড়া করা হল । এখানে আরো বড় কোনো দূর্ঘটনাও ঘটতে পারত । আবেগী তরুণরা অনেক সময়ই এমন মনে করে যে, দায়িত্বশীলদের কারণেই আন্দোলন করা যায় না । আর সে কারণে তাদের অজান্তে কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নেয় । এটি কত বড় আত্মঘাতি চিন্তা, এই ঘটনা তার একটি ক্ষুদ্র প্রমাণ ।
সে যাই হোক, তরুণরা আবেগের বশবর্তি হয়ে ভুল করলেও আমরা আল্লাহর মেহেরবানীতে তাদের দায়িত্ব নিতে ভুল করিনি । আমাদের সামর্থের আলোকে আমরা তাদেরকে দ্রূত মুক্ত করার ও তাদের যাবতীয় প্রয়োজন পুরণের সব রকম উদ্যোগ নিয়েছি । এ জন্য বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ বিভাগের সম্পাদক মাওলানা শরীফ হুসাইনের নেতৃত্বে একটি টিম সার্বক্ষনিক মেহনত চালিয়ে যাচ্ছে । সবার আন্তরিক সহযোগিতা ও নেক দোয়া কামনা করি ।
আল্লাহই আমাদের সর্বেত্তম সাহায্যকারী