মাদারীপরে আল্লামা বাবুনগরী ও মামুনুল হকের মাহফিল বন্দ ; প্রশাসনে 144 ধারা জারি

ইসলামী জার্নাল ;  হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর নবনির্বাচিত আমির মজলুম জননেতা আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এবং হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ এর নবনির্বাচিত যুগ্ন মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক এর ওয়াজ মাহফিল প্রশাসন বাধা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
আমাদের মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, মাদারীপুর ওলামা-মাশায়েখদের উদ্যোগে আয়োজিত ওলামা সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এবং মাওলানা মামুনুল হক এর। কিন্তু মাদারীপুরের প্রশাসন মাহফিলের আগমুহূর্তে 144 ধারা জারি করেন, যার ফলে মাহফিল কর্তৃপক্ষ মাহফিল করার অনুমতি পাননি।
মাদারীপুরের প্রোগ্রাম শেষে, বাংলাদেশের শীর্ষ দুই আলেমেরকুমিল্লার অন্যতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দয়াপুর মাদ্রাসার ইসলামী মহাসম্মেলনে অংশগ্রহণ করার কথা থাকলেও প্রশাসনিক বাধায় সেখানেও তারা অংশগ্রহণ করতে পারেনি।
অন্যদিকে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামিয়া কুরআনিয়া আরাবিয়া লালবাগ মাদ্রাসা সুনামধন্য মহাদ্দিস, বিশিষ্ট কলামিস্ট, গবেষক এবং লেখক মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী এর আহবানে, রাহমাতুল্লিল আলামিন ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে “রাহমাতুল্লিল আলামিন কনফারেন্সের” আয়োজন করা হয়েছিল, কনফারেন্সে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীসহ দেশের অসংখ্য শীর্ষ ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজি ইত্তেহাদ মিডিয়াকে জানান, কনফারেন্সের সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও প্রোগ্রামের ঠিক আগমুহূর্তে প্রশাসন উপরের নির্দেশে দাবি করে শান্তিপূর্ণ কনফারেন্স ঠিক করতে দেয়নি।
এদিকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ায়, বায়তুল মোকাররমের অবস্থান করছেন, তৌহিদী জনতা সহ দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, বাদ জোহর প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল এর ঘোষণা দেন, সংগঠনের আহ্বায়ক মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি। মিছিল পূর্বক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সংগ্রামী যুগ্ন মহাসচিব, আল্লামা মামুনুল হক।
এদিকে একই দিনে তিনটি প্রোগ্রামের বাধা দেওয়ায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় তরুণ আলেমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছে, হাটহাজারী প্রতিনিধি জানান, বাদ আসর হাটহাজারীর ডাকবাংলা চত্বরে আল্লামা বাবুনগরী এর প্রোগ্রাম এ বাধা দেওয়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ করবে স্থানীয় তৌহিদী জনতা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান।
তৌহিদী জনতার দাবি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামায়ে কেরাম, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে, ইসলামের বাণী, কোরআন হাদিসের আলোকে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা উপস্থিত তৌহিদী জনতার মাঝে তুলে ধরেন, এদেশের ওলামা একরাম ধর্ষণের বিরুদ্ধে কথা বলেন, এদেশের ওলামায়ে কেরাম অশ্লীলতার বিরুদ্ধে কথা বলেন, এদেশের ওলামায়েকেরাম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম এর অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে কথা বলেন। সুতরাং একটি কুচক্রী মহল আলেম-ওলামাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করে ইসলামী ওয়াজ মাহফিল সম্মেলনকে বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে।
ধর্মপ্রাণ মুসলমান অবিলম্বে দাবি করছেন, এ ধরনের ইসলামী ওয়াজ মাহফিল সেমিনার ও কনফারেন্স বাধা দিয়ে, এদেশের লক্ষ কোটি তৌহিদি জনতার ঈমানী আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।